Tuesday, July 20, 2021

How to register on Surokkha for Corona/Covid-19 Vaccine in Bangladesh


You also browse this link:

Surokkha gov bd registration 2021 | vaccine tutorial 2021

 
For Corona Vaccine:  

করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন: টিকা নিতে আগ্রহী হলে যেসব বিষয় আপনার জানা থাকা জরুরি



Tuesday, June 23, 2020

হোমিওপ্যাথে আশার আলো করোনা চিকিৎসায়

(নীচে Read More বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি পড়ুন)
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আশার আলো দেখছেন হোমিও চিকিৎসকরা। এতে বেশ ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তারা। তাদের দাবি, হোমিও ওষুধ সেবনের পর দ্রুততম সময়ে অর্ধশতাধিক করোনা রোগী সেরে উঠেছেন।
হোমিও চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা রোগের চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি; কিন্তু প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে হোমিওপ্যাথি প্রয়োগ করে করোনা রোগীদের সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
তাদের মতে, করোনা রোগীদের যেসব উপসর্গ দেখা যায় তার সব ক’টির সঙ্গেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মিল রয়েছে। তা ছাড়া কয়েকটি হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবনের মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমও বৃদ্ধি করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, হোমিওপ্যাথির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ফলে চিকিৎসায় সুফল না এলেও ক্ষতির আশঙ্কা শূন্য। হোমিওপ্যাথি ওষুধের মূল্যও সাধারণের হাতের নাগালে।
একজন চিকিৎসক জানান, মার্চের শুরুতে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর ২১ জন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। তাদের পরামর্শে দেশের ৬৪টি জেলায় হোমিও চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে হোমিও মেডিক্যাল কলেজগুলোর আউটডোরেও চিকিৎসা মিলছে।

Saturday, June 13, 2020

কোভিড-১৯ একটি ইসলামী ব্যবস্থাপত্র- প্রফেসর মো: রফিকুল ইসলাম

(নীচে Read More বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি পড়ুন)

ইতিহাসের ভয়াবহতম দুঃসময় অতিক্রম করছে বনি আদম। সারা বিশ্ব কার্যত অচল। জালিম-মাজলুম, পুণ্যাত্মা-পাপিষ্ঠ, ধার্মিক-অধার্মিক, আস্তিক-নাস্তিক সবাই প্রকৃতির জেলখানায় বন্দি। যারা প্রতিপক্ষকে অন্তরীণ করে নিজে স্বাধীনতার সুখ আস্বাদন করেছে- তারাও স্বেচ্ছা বন্দিত্ব বরণ করতে বাধ্য হয়েছে। সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, ফিলিস্তিন ও কাশ্মিরের লক্ষ-লক্ষ মানুষকে যারা ক্রীতদাসে পরিণত করেছে তাদের সকল প্রযুক্তি প্রহরণ-মারণাস্ত্র অকার্যকর বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। অসহায়ত্ব এবং বিভীষিকার চূড়ান্ত রূপ যে কী এবং কেমন হতে পারে তা ঈড়ারফ-১৯ এর কল্যাণে বিশ্ববাসী কিঞ্চিৎ উপলব্ধি করতে পারছে। পরীক্ষা নিরীক্ষায় কোনো রোগী পজিটিভ হলেই চিরচেনা পৃথিবীটা মুহূর্তেই হয়ে যাচ্ছে কাল-কালান্তরের অচেনা। আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-স্বজনসহ সকল আপনজন ক্ষণেক ব্যবধানেই আক্রান্তকে বৈরী ও অস্পৃশ্য জ্ঞান করে আত্মরক্ষায় ত্রস্তপদে করছে ত্রাহি-ত্রাহি। ধর্মবেত্তাগণ এ বিষাদময় দৃশ্যকে তাদের ধর্মালোচনার উপাদেয় এবং অনিবার্য অনুষঙ্গরূপে গ্রহণ করেছেন- প্রতিতুল্য করছেন ইয়াওমে মাহশার বা হাশর দিবসের সঙ্গে। বনি আদমের এ মহা বিপর্যয়কে গত ১১ মার্চ ২০২০ তারিখে বিশ্বমহামারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আমাদের প্রিয় মাতৃভ‚মি বাংলাদেশও এক ভয়ঙ্কর শঙ্কায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ পৃথিবীর স্বর্গোপম দেশগুলো যেভাবে শ্মশানে পরিণত হয়েছে। আমাদের তো সে তুলনায় ঢাল তলোয়ার কিছুই নেই, কী হবে আমাদের? ভীত-সন্ত্রস্ত চিত্তে মেকি সাহসে যদিও কেউ কেউ বলেছে- আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী; কিন্তু মানুষ হালে পানি পাচ্ছে না, বলছে “দাম্ভিক! আহাম্মক কোথাকার!!” হে পাক পরওয়ারদেগার আমরা এ আহাম্মক আর দাম্ভিকদের দলভুক্ত নই। আমাদেরকে তুমি ক্ষমা কর। রক্ষা কর। মানবজাতির এহেন ক্রান্তিকালে সকল দাম্ভিকতা ছাড়তে হবে। বস্তুজাত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ধৈর্য ও আনুগত্যের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করতে হবে বিশ্ব চরাচরের মহান প্রভুর শাশ্বত বিধানের প্রতি। তবেই এড়ানো যাবে কর্মদোষের অমোঘ ভবিতব্য। কিন্তু সেটি কিভাবে? সেটি কি ইসলামের নামে আবেগ ও কুসংস্কারের বেসাতি করে? নাকি কুরআন, সুন্নাহ ও ইসলামের সোনালি ঐতিহ্যিক উৎসোৎসারিত প্রায়োগিক ও বিজ্ঞানঘনিষ্ঠ নীতিমালার স্বরূপ সাধন করে? আসুন দেখি এ ধরনের বিপর্যয় মোকাবেলায় ইসলামের ব্যবস্থাপত্র ও প্রতিরক্ষা নীতি কী। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিষয়টির একটি সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের আজাব, দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মানবজাতির, বিশেষত মুসলমানদের কী করণীয়, সে বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোক-নির্দেশনা আছে কিনা, সেই অভিজ্ঞান লাভ করাই সময়ের দাবি।

এ দুর্দিন মোকাবেলা করার জন্য ইসলাম আমাদেরকে প্রথমত কয়েকটি অতিজাগতিক ও একান্ত মনস্তাত্তিক কার্যসূচি বাস্তবায়নের কথা বলে-

Thursday, June 11, 2020

ডা. তারেক আলমের ৩০ টাকার ওষুধে সারবে করোনা?

ত্রিশ টাকায় করোনা ভালো হবার ডা. তারেক আলমের ব্যবস্থাপনাপত্র কতখানি কার্যকর তা নিয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছে আইসিডিডিআরবি।


ঢাকার ৪টি করোনা হাসপাতালে এই গবেষণার অনুমতি চেয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি)।আর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গবেষণার ফল পেতে এক মাসের বেশি সময় লাগবে না।
চারদিনে করোনা মুক্তি, আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন সমন্বয়ে ডা. তারেক আলমের ব্যবস্থাপনাপত্র সীমিত আকারে প্রয়োগে সুফল মিলেছে এমটাই দাবি করেন তিনি। এরইমধ্যে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সহস্রাধিক রোগীর ওপর প্রয়োগে সুফল মেলার দাবি করা হয়েছে। এই ডোজ প্রয়োগ করছে আরো কিছু হাসপাতাল।
এবার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছে আইসিডিডিআরবি। যুক্ত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করা দেশি বিদেশি ১০ জন গবেষক। কুয়েত মৈত্রী, কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং ঢাকা ও মুগদা মেডিকেলকে গবেষণার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
ডিএমসি ডা. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বলেন, 'একটা গ্রুপকে আইভারমেকটিন দিব, আরেকটা গ্রুপকে আরেকটা দিব। এরপর তৃতীয় পক্ষ বৈজ্ঞানিকভাবে অ্যানালাটিক্স করে দেখবেন কোন গ্রুপের রোগীরা বেশি রেসপন্স করেছে।'
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক আহমেদ লুৎফুল মুবীন বলেন, 'আমাদের কাছে প্রচুর রোগী। খুব বেশি সময় লাগার কথা না। মাস খানেকের মধ্যে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারবো।'
বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ(বিএমআরসি) বলছে, গবেষণার আবেদনে আইভারমেকটিনের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা বাতিল হওয়া হাই্ড্রোক্সিক্লোরোকুইনের নাম থাকায় আবেদনটির রিভিউ কপি চেয়েছেন তারা।
বিএমআরসি পরিচালক মাহমুদ উজ জাহান বলেন, 'আমরা ওনাদের কাছে একটা আবেদন করেছি। তাদের আবেদনটির রিভিউ কপি চেয়েছি। কমিটি দেখে তারপর জানাবে।'
সেক্ষেত্রে বড় পরিসরে ব্যবহার কিংবা গাইড লাইনে অন্তর্ভুক্ত করার আগে গবেষণার বিকল্প নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই গবেষণার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিনের ভবিষ্যত। করা হবে একটি নীতিমালাও।
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. তারেক আলম বলেন, 'এই প্রটোকলটি যদি আমরা ৪-৫ সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাই, যদি এটি অনুমোদন পেয়ে যায়। তাহলে আইভারমেকটিনটি গাইডলাইনে নিয়ে আসতে পারবো।'
অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয় এক গবেষণায় প্রথম এই দুটি ওষুধের সংমিশ্রন করোনা প্রতিরোধে কাজ করতে পারে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ভারত, সাউথ আফ্রিকা ও তানজেনিয়াও ওষুধ দুটি নিয়ে গবেষণা অনুমতি দিয়েছে।