Showing posts with label Corona-Treatment. Show all posts
Showing posts with label Corona-Treatment. Show all posts

Tuesday, June 23, 2020

হোমিওপ্যাথে আশার আলো করোনা চিকিৎসায়

(নীচে Read More বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি পড়ুন)
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আশার আলো দেখছেন হোমিও চিকিৎসকরা। এতে বেশ ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তারা। তাদের দাবি, হোমিও ওষুধ সেবনের পর দ্রুততম সময়ে অর্ধশতাধিক করোনা রোগী সেরে উঠেছেন।
হোমিও চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা রোগের চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি; কিন্তু প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে হোমিওপ্যাথি প্রয়োগ করে করোনা রোগীদের সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
তাদের মতে, করোনা রোগীদের যেসব উপসর্গ দেখা যায় তার সব ক’টির সঙ্গেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মিল রয়েছে। তা ছাড়া কয়েকটি হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবনের মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমও বৃদ্ধি করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, হোমিওপ্যাথির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ফলে চিকিৎসায় সুফল না এলেও ক্ষতির আশঙ্কা শূন্য। হোমিওপ্যাথি ওষুধের মূল্যও সাধারণের হাতের নাগালে।
একজন চিকিৎসক জানান, মার্চের শুরুতে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর ২১ জন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। তাদের পরামর্শে দেশের ৬৪টি জেলায় হোমিও চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে হোমিও মেডিক্যাল কলেজগুলোর আউটডোরেও চিকিৎসা মিলছে।

Thursday, June 11, 2020

ডা. তারেক আলমের ৩০ টাকার ওষুধে সারবে করোনা?

ত্রিশ টাকায় করোনা ভালো হবার ডা. তারেক আলমের ব্যবস্থাপনাপত্র কতখানি কার্যকর তা নিয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছে আইসিডিডিআরবি।


ঢাকার ৪টি করোনা হাসপাতালে এই গবেষণার অনুমতি চেয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি)।আর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গবেষণার ফল পেতে এক মাসের বেশি সময় লাগবে না।
চারদিনে করোনা মুক্তি, আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন সমন্বয়ে ডা. তারেক আলমের ব্যবস্থাপনাপত্র সীমিত আকারে প্রয়োগে সুফল মিলেছে এমটাই দাবি করেন তিনি। এরইমধ্যে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সহস্রাধিক রোগীর ওপর প্রয়োগে সুফল মেলার দাবি করা হয়েছে। এই ডোজ প্রয়োগ করছে আরো কিছু হাসপাতাল।
এবার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছে আইসিডিডিআরবি। যুক্ত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করা দেশি বিদেশি ১০ জন গবেষক। কুয়েত মৈত্রী, কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং ঢাকা ও মুগদা মেডিকেলকে গবেষণার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
ডিএমসি ডা. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বলেন, 'একটা গ্রুপকে আইভারমেকটিন দিব, আরেকটা গ্রুপকে আরেকটা দিব। এরপর তৃতীয় পক্ষ বৈজ্ঞানিকভাবে অ্যানালাটিক্স করে দেখবেন কোন গ্রুপের রোগীরা বেশি রেসপন্স করেছে।'
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক আহমেদ লুৎফুল মুবীন বলেন, 'আমাদের কাছে প্রচুর রোগী। খুব বেশি সময় লাগার কথা না। মাস খানেকের মধ্যে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারবো।'
বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ(বিএমআরসি) বলছে, গবেষণার আবেদনে আইভারমেকটিনের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা বাতিল হওয়া হাই্ড্রোক্সিক্লোরোকুইনের নাম থাকায় আবেদনটির রিভিউ কপি চেয়েছেন তারা।
বিএমআরসি পরিচালক মাহমুদ উজ জাহান বলেন, 'আমরা ওনাদের কাছে একটা আবেদন করেছি। তাদের আবেদনটির রিভিউ কপি চেয়েছি। কমিটি দেখে তারপর জানাবে।'
সেক্ষেত্রে বড় পরিসরে ব্যবহার কিংবা গাইড লাইনে অন্তর্ভুক্ত করার আগে গবেষণার বিকল্প নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই গবেষণার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিনের ভবিষ্যত। করা হবে একটি নীতিমালাও।
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. তারেক আলম বলেন, 'এই প্রটোকলটি যদি আমরা ৪-৫ সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাই, যদি এটি অনুমোদন পেয়ে যায়। তাহলে আইভারমেকটিনটি গাইডলাইনে নিয়ে আসতে পারবো।'
অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয় এক গবেষণায় প্রথম এই দুটি ওষুধের সংমিশ্রন করোনা প্রতিরোধে কাজ করতে পারে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ভারত, সাউথ আফ্রিকা ও তানজেনিয়াও ওষুধ দুটি নিয়ে গবেষণা অনুমতি দিয়েছে।

Thursday, June 4, 2020

করোনা চিকিৎসায় ১০০ টাকার বেশি খরচ নাই: ডা. জাফরুল্লাহ

(নীচে Read More বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি পড়ুন)
ডা. জাফরুল্লাহ কী ধরনের ওষুধ-ব্যবস্থা গ্রহণ করে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং করোনায় আক্রান্তরা কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন- এমন নানা বিষয় নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন ।  শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন প্রদীপ দাস।

Tuesday, May 26, 2020

করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করার উপায়


গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন শীলের মতে সব থেকে ভালো হলো, করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করা, কেউ যাতে করোনায় ভয়াবহভাবে আক্রান্ত না হন, সহজে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন,...

ড. বিজন শীল জানান, যেকোনও ধরনের গলা খুশ খুশ বা কাশি দেখা দিলেই আর অপেক্ষা করা উচিত হবে না। ওটা করোনা না করোনা নয়, এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই। বরং ওই মুহূর্ত থেকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো:-

আদা (জিঞ্জার) ও লবঙ্গ (ক্লোব)।  একসঙ্গে পিষে সেটাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তার সঙ্গে কিছুটা চা দিয়ে ওটা এক কাপ মতো নিয়ে গারগল করে খেতে হবে। দিনে অন্তত তিন-চারবার এক কাপ করে এটা খেতে হবে। এর ফলে গলার ভেতরের কোষগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে কোষগুলো শক্তিশালী হবে। কোষগুলোর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষগুলো সমর্থ হবে কোভিড-১৯ ভাইরাস যদি আক্রমণ করে, তাকে প্রতিরোধ করতে।

যাদের গলা খুশ খুশ করে না বা কোনও কাশি দেখা দেয়নি, তারাও এটা নিয়মিত দিনে দুইবার অন্তত দু’কাপ খাবেন। তাতে তাদেরও ইমিউনিটি বাড়বে।

এর পাশাপাশি যাদের জোগাড় করা সম্ভব, বিশেষ করে যারা গ্রামে আছেন, তারা এখন নিমপাতা পাবেন। ওই নিমপাতা একটু পানি দিয়ে পিষতে হবে। পেষার ফলে যে সবুজ রঙের রসটি বের হবে সেটার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে তা গারগল করে খেতে হবে। এর ফলে গলার কোষগুলোয় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, ইমিউনিটি বাড়বে। যা অনেক বেশি সমর্থ হবে করোনা বা কোভিড-১৯ ভাইরাসকে পরাজিত করতে।

করোনার যে তিনটি পর্যায় অর্থাৎ প্রথমে গলায় আক্রমণ করা। অর্থাৎ গলায় খুশ খুশ কাশি হবে। এর পরে এটা আমাদের ফুসফুসের ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়। ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে যাওয়া দ্বিতীয় স্টেজ। তৃতীয় বা শেষ স্টেজ হচ্ছে ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে পানি জমানো।

করোনাকে প্রথম স্টেজেই অর্থাৎ গলা খুশ খুশ অবস্থাতে দমন করতে হবে। আর সেজন্য আদা, লবঙ্গ এবং চা থেরাপি আর নিমপাতা থেরাপি অনেক কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য তিনি প্রতিদিন একগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা পরিমাণ জিঙ্ক থাকতে হবে।

.... ড. বিজন শীল বলছেন, এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে জিঙ্ক থাকতে হবে। কারণ, ভাইরাসের ‘আর ডি ডি’কে ব্লক করে দিতে সমর্থ হয় জিঙ্ক। যার ফলে ওই ভাইরাস সহজে রোগীকে আক্রান্ত করতে পারে না।

যুদ্ধকালীন প্রয়োজনের মতো জরুরি ভিত্তিতে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ভিটামিন সি প্রস্তুত করে বাজারে দেওয়া প্রয়োজন। আবার এই ভিটামিন সি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে বিনামূল্যে বা কমমূল্যে পায়, তারও ব্যবস্থা নিতে হবে।

ড. বিজন শীল আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া তাদের দেশের নাগরিকদের ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্যে জিঙ্ক ইনজেকশন দিচ্ছে। তার মতে এই ইনজেকশন কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ড. বিজন শীল মার্চ মাস থেকে একটি বিষয় সাবধান করে আসছেন, তা হলো টয়লেট পরিষ্কার রাখা। কারণ, কমোড, প্যান এবং বেসিন থেকে কফ, থুতু, প্রস্রাব ও পায়খানার মাধ্যমে করোনা বা কোভিড-১৯ ছড়ায় বেশি। রোগীর কফ ও থুতুর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়।

এছাড়া এই ভাইরাস যেমন শরীরের অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়, তেমনি অন্ত্রনালিতেও যায়। আর অন্ত্রনালিতে গেলে তখন রোগীর ডায়রিয়া হয়। তখন মলের সঙ্গে এ ভাইরাস যায়। এ কারণেই এগুলো পরিষ্কার রাখা জরুরি।
আমাদের দেশের সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ অফিসে টয়লেট প্রয়োজনীয় পরিষ্কার করা হয় না। এগুলো এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিষ্কারের ব্যবস্থা করানো দরকার।

সংগৃহীত।

Thursday, May 21, 2020

কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস : হামদর্দ ইউনানী চিকিৎসা


কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ প্রাসঙ্গিক কিছু ভেষজ ওষুধ দিয়ে কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায় ট্রায়াল দিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং সংক্রমণের উপসর্গ নিরাময়ে ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদিত হামদর্দের তিনটি ইউনানী ওষুধের সফলতা পাওয়া গেছে। Kulyam গরম পানির বাষ্পের সঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে এবং আক্রান্তদের উপসর্গও দ্রুত নিরাময় হচ্ছে। Syp. Fevnil জ্বর নিবারক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী। তার সঙ্গে Syp. Saduri কাশি নিরাময়, কফ নিঃসারক এবং ফুসফুসের শক্তিবর্ধক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

সারা দেশে হামদর্দের ২৭০টি চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে হামদর্দের চিকিৎসকরা কোভিড-১৯ লক্ষণযুক্ত বা কোভিড পজিটিভ রোগীদের এই চিকিৎসা দিয়ে সফলতা পাচ্ছেন। দেশব্যাপী ৫০ জন করোনা পজিটিভ রোগী এ চিকিৎসা নিয়ে নেগেটিভ হয়ে সুস্থ হয়েছেন। কোয়ারেন্টিনে থাকা ৭০০ জন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।

কিভাবে এই তিনটি ওষুধ কাজ করে তার ব্যাখ্যা দেখা যাক। কোভিড-১৯ মূলত আমাদের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়। নাক এবং মুখ দিয়ে আমাদের শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে প্রথমে শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগে অবস্থান করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে।

এমতাবস্থায় Kulyam সহকারে গরম পানির বাষ্প গ্রহণ করলে এতে থাকা শক্তিশালী জীবাণুনাশক উপাদান ক্যাম্ফোর, পাইন ওয়েল, ইউক্যালিপটাস ওয়েল এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে। ফলে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে Kulyam অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর যে সব উপসর্গ দেখা দেয় যেমন- ফুসফুসের প্রদাহ, কাশি, ফুসফুসের আবদ্ধতা, যা কুলজমে বিদ্যমান উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরীভাবে তা নিরাময় করে।

Kulyam এর ব্যবহার বিধিঃ একটি পাত্রে গরম পানির সঙ্গে পাঁচ ফোঁটা কুলজম মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার নাক ও মুখ দিয়ে শ্বাস টেনে ভাঁপ নিন।

Syp. Fevnil জ্বর নিবারক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক এবং প্রতিরোধক ক্ষমতাবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী। Fevnil প্রদাহ প্রশমন করে জ্বর নিবারণ করে। ভাইরাসবিরোধী হিসেবে Fevnil-এর ভূমিকা প্রমাণিত। একই সঙ্গে Fevnil রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দিচ্ছে। ফলে কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায়ও Fevnil অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

Fevnil এর সেবনবিধি ঃ প্রাপ্ত বয়স্ক : ৪ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার; অপ্রাপ্ত বয়স্ক : ২ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার অথবা রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শমতো সেব্য।

Syp. Saduri মূলত কোভিড-১৯-এর উপসর্গ নিরাময়ে ভূমিকা রাখছে। ফুসফুস সংক্রমিত হওয়ার কারণে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের কাশি, ফুসফুসের আবদ্ধতা এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। Saduri ব্রংকোডায়লেটর হিসেবে শ্বাসনালিকে সম্প্রসারিত করার মাধ্যমে কাশি এবং শ্বাসকষ্ট কমায়। এটি ফুসফুস থেকে শ্লেষ্মা নিঃসরণে সহায়তা করে ফুসফুসের আবদ্ধতা কমায়। একই সঙ্গে Saduri ফুসফুসের শক্তিবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী।

Saduri-এর সেবনবিধি ঃ প্রাপ্ত বয়স্ক : ৪ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার; অপ্রাপ্ত বয়স্ক : ২ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার অথবা রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

See this link: #হামদর্দ_এর_ওষুধ_গ্রহণ_করুন কোভিড-১৯ কে জয় করুন

Source: www.jugantor.com

Tuesday, May 19, 2020

লেবুতেই ধ্বংস হবে করোনাভাইরাস জানালেন-চীনের বেইজিং মিলিটারি হাসপাতালের সিইও প্রফেসর চেন হরেন


শামীম চৌধুরী: বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এরইমধ্যে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। চীনের উহান থেকে সাপ ও বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এ মহামারি রোগটি করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলেও এটি প্রতিরোধের উপায় জানিয়েছেন চীনের বেনজিং মিলিটারি হাসপাতালের সিইও প্রফেসর চেন হরেন। তার মতে, করোনা থেকে বাঁচাতে পারে এক টুকরা লেবু আর এক কাপ গরম পানি। এক্ষেত্রে একটি লেবু টুকরা করে কেটে য়ে এক কাপ গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। এই লেবুর পানীয়তে থাকা প্রলিফেরাশন শরীরকে যে কোনো ধরনের ভাইরাস থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এই পানীয় পান করার পরামর্শ দিয়েছেন এই গবেষক। তিনি জানান, লেবুর এই পানীয়টি করোনা প্রতিরোধের পাশাপাশি প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করবে। এছাড়াও এটি শরীরের অন্যান্য ভাইরাস এবং ফ্লুর বিরুদ্ধেও লড়াই করতে সহায়তা করবে। লেবুর রসে রয়েছে কার্বলিক এসিড। যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে, শরীরে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করে। সম্প্রতি চীনের জানজান ইউনিভার্সিটির মেডিকেল সাইন্স বিভাগের গবেষক জিয়াও সেনমি মিনজি বলেছেন, করোনাভাইরাস বিশ্বের সব দেশেই ছড়িয়ে পরবে। সেটা আগে বা পরে। অনেক দেশেই এর কোনো পরীক্ষা করার যন্ত্র নেই। করোনা প্রতিরোধে ভিটামিন সি বেশি করে খেতে হবে। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মূলত সাধারণ একটি ভাইরাস। যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। দূর্ভাগ্যবশত এখনো করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বা চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি। তবে করোনা সাধারণত অন্যান্য রোগে ভুগছেন এমন মানুষের মধ্যে বিস্তার লাভ করে বেশি। করোনাভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যেই সংক্রমণ ঘটায়।

Monday, May 4, 2020

ফেভিপিরাভির করোনায় কার্যকর ও বিষ্ময়কর ওষুধ


ফেভিপিরাভির করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় বিষ্ময়কর একটি ওষুধ। এটা জাপানের ফুজিফিল্ম গ্রুপের টোইয়াম কেমিকেলের এই ওষুধটি এভিগান হিসেবে সেখানে বিক্রি হয়। ওষুধটি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। জাপান, চীন, ব্রিটেন ও আমেরিকার নামকরা মেডিক্যাল জার্নালে এ বিষয়ক গবেষণা প্রকশ পায়। ফেভিরিপাভির বা এভিগান প্রথম ২০১৪ সালে আবস্কিার করে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ওষুধ হিসেবে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত গাইডলাইনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মাঝারী ধরনের রোগীদের চিকিৎসার জন্য ফেভিপিরাভিরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া জাপান ছাড়াও বহি:বিশ্বে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ফেভিপিরাভিরের কিছুটা মোডিফাই করে অনুমোদন করেছে।

সম্প্রতি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল এ ওষুধটি তৈরি করেছে ‘ফেভিট্যাব’ নামে। ২০০ এমজি’র ‘ফেভিট্যাব’ দেশের সর্বত্র কোভিড রোগীদের জন্য ব্যবহার করা যাবে বলে ইবনে সিনার সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো: নুরুল্লাহ জানিয়েছেন।
মেডিক্যাল জার্নালগুলোতে বলা হয়েছে, ফেভিপিরাভির টাইপ ও সাবটাইপের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও কার্যকর। এছাড়া অন্যান্য আরএনএ ভাইরাস যেমন এ্যারেনাভাইরাস, বুনিয়াভাইরাস, ফিলোভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর। এই ভাইরাসগুলো হেমোরেজিক জ্বরের জন্য দায়ি। এটা সার্সকভ-২ বা কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধেও বেশ কার্যকর।

ব্রিটিশ সোসাইটির ‘জার্নাল ফর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল কেমোথেরাপি’ বলেছে, কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীদের জন্য ফেভিপিরাভির কার্যকর একটি ওষুধ। জার্নালটি গত ১৭ মে সংখ্যায় এ বিষয়টি নিয়ে নিবন্ধটি ছাপে। এ গবেষণাটি করা হয়েছে চীনে। তারা মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৭৫ বছর অথবা এর চেয়ে বেশি বয়সী ৮০ জন রোগীর উপর ওষুধটি পরীক্ষা করেন। গবেষকেরা ১৬০০ এমজি ফিভিপিরাভির প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন থেকে ১৪ তম দিন পর্যন্ত ৬০০ এমজি ফেভিপিরাভির দিয়েছিলেন প্রতিটি করোনা আক্রান্ত রোগীকে। আবার লোপিনভির/রিটোনাভির দিয়েও তারা একই পরীক্ষা করেন। গবেষকেরা ৪০০ এমজি/১০০ এমজি লোপিনভির/রিটোনাভির ট্যাবলেট এক থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত দিনে দু’বার দিয়েও পরীক্ষা করেছেন। দেখা গেছে, ফেভিপিরাভির, লোপিনভির/রিটোনভিরের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর এবং নিরাপদ। এই গবেষণায় দেখা গেছে, রোগীকে ফেভিপিরাভির দিলে ৪ দিনে সুস্থ হতে শুরু করে ৯১ শতাংশ পর্যন্ত। আবার লোপিনভির/রিটোনভির দিয়ে চিকিৎসা করালে ১১ দিনে সুস্থ হতে শুরু করে ৬২.২ শতাংশ পর্যন্ত।

গবেষণায় কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য ফেভিপিরাভির (ফেভিট্যাব) একটি চমৎকার ওষুধ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে আরো কিছু গবেষণায়। ‘জার্নাল অব অ্যান্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড মেটাবোলজিমে’ বলা হয়েছে, কোভিড-১৯’র ওষুধ হিসেবে ফেভিপিরাভির কার্যকর ওষুধ। ১২০ জন বয়স্ক মৃদু, মাঝারী ও কোভিডে মারাত্মক রোগীর ওপর এই গবেষণাটি করা হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃদু, ৮৫ শতাংশ মাঝারী এবং ৬১ শতাংশ মারাত্মকভাবে কোভিড-১৯ আক্রান্তরা ১৪ দিনে সুস্থ হয়ে গেছেন। ওষুধটি করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিরাপদ ও সহনীয়।

এছাড়া ফেভিপিরাভির নিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব প্রোগ্রেসিভ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিস’ (আইজেপিএসএটি) দেখিয়েছে ফেভিপিরাভির মাঝারী ধরনের কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তদের জন্য একটি ‘উৎকৃষ্ট’ ওষুধ। এ গবেষণাটি কর হয়েছে চীনের উহানে, যেখানে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এতে ১৮ অথবা এর বেশি বয়সী ১১৬ জন অংশ নেয়। এদের সকলকে প্রথম দিন ১৬০০ এমজির ফেভিপিরাভির দুইবার (৮ ট্যাবলেট সকালে ও ৮টি রাতে) এবং এরপর ৭ দিন থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ৬০০ এমজি দিনে দুইবার (৩ ট্যাবলেট দিনে ও ৩টি রাতে) প্রয়োগ করা হলে ৭১.৪ শতাংশ পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করে।