Tuesday, May 26, 2020

করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করার উপায়


গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন শীলের মতে সব থেকে ভালো হলো, করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করা, কেউ যাতে করোনায় ভয়াবহভাবে আক্রান্ত না হন, সহজে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন,...

ড. বিজন শীল জানান, যেকোনও ধরনের গলা খুশ খুশ বা কাশি দেখা দিলেই আর অপেক্ষা করা উচিত হবে না। ওটা করোনা না করোনা নয়, এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই। বরং ওই মুহূর্ত থেকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো:-

আদা (জিঞ্জার) ও লবঙ্গ (ক্লোব)।  একসঙ্গে পিষে সেটাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তার সঙ্গে কিছুটা চা দিয়ে ওটা এক কাপ মতো নিয়ে গারগল করে খেতে হবে। দিনে অন্তত তিন-চারবার এক কাপ করে এটা খেতে হবে। এর ফলে গলার ভেতরের কোষগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে কোষগুলো শক্তিশালী হবে। কোষগুলোর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষগুলো সমর্থ হবে কোভিড-১৯ ভাইরাস যদি আক্রমণ করে, তাকে প্রতিরোধ করতে।

যাদের গলা খুশ খুশ করে না বা কোনও কাশি দেখা দেয়নি, তারাও এটা নিয়মিত দিনে দুইবার অন্তত দু’কাপ খাবেন। তাতে তাদেরও ইমিউনিটি বাড়বে।

এর পাশাপাশি যাদের জোগাড় করা সম্ভব, বিশেষ করে যারা গ্রামে আছেন, তারা এখন নিমপাতা পাবেন। ওই নিমপাতা একটু পানি দিয়ে পিষতে হবে। পেষার ফলে যে সবুজ রঙের রসটি বের হবে সেটার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে তা গারগল করে খেতে হবে। এর ফলে গলার কোষগুলোয় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, ইমিউনিটি বাড়বে। যা অনেক বেশি সমর্থ হবে করোনা বা কোভিড-১৯ ভাইরাসকে পরাজিত করতে।

করোনার যে তিনটি পর্যায় অর্থাৎ প্রথমে গলায় আক্রমণ করা। অর্থাৎ গলায় খুশ খুশ কাশি হবে। এর পরে এটা আমাদের ফুসফুসের ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়। ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে যাওয়া দ্বিতীয় স্টেজ। তৃতীয় বা শেষ স্টেজ হচ্ছে ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে পানি জমানো।

করোনাকে প্রথম স্টেজেই অর্থাৎ গলা খুশ খুশ অবস্থাতে দমন করতে হবে। আর সেজন্য আদা, লবঙ্গ এবং চা থেরাপি আর নিমপাতা থেরাপি অনেক কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য তিনি প্রতিদিন একগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা পরিমাণ জিঙ্ক থাকতে হবে।

.... ড. বিজন শীল বলছেন, এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে জিঙ্ক থাকতে হবে। কারণ, ভাইরাসের ‘আর ডি ডি’কে ব্লক করে দিতে সমর্থ হয় জিঙ্ক। যার ফলে ওই ভাইরাস সহজে রোগীকে আক্রান্ত করতে পারে না।

যুদ্ধকালীন প্রয়োজনের মতো জরুরি ভিত্তিতে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ভিটামিন সি প্রস্তুত করে বাজারে দেওয়া প্রয়োজন। আবার এই ভিটামিন সি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে বিনামূল্যে বা কমমূল্যে পায়, তারও ব্যবস্থা নিতে হবে।

ড. বিজন শীল আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া তাদের দেশের নাগরিকদের ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্যে জিঙ্ক ইনজেকশন দিচ্ছে। তার মতে এই ইনজেকশন কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ড. বিজন শীল মার্চ মাস থেকে একটি বিষয় সাবধান করে আসছেন, তা হলো টয়লেট পরিষ্কার রাখা। কারণ, কমোড, প্যান এবং বেসিন থেকে কফ, থুতু, প্রস্রাব ও পায়খানার মাধ্যমে করোনা বা কোভিড-১৯ ছড়ায় বেশি। রোগীর কফ ও থুতুর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়।

এছাড়া এই ভাইরাস যেমন শরীরের অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়, তেমনি অন্ত্রনালিতেও যায়। আর অন্ত্রনালিতে গেলে তখন রোগীর ডায়রিয়া হয়। তখন মলের সঙ্গে এ ভাইরাস যায়। এ কারণেই এগুলো পরিষ্কার রাখা জরুরি।
আমাদের দেশের সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ অফিসে টয়লেট প্রয়োজনীয় পরিষ্কার করা হয় না। এগুলো এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিষ্কারের ব্যবস্থা করানো দরকার।

সংগৃহীত।

Sunday, May 24, 2020

করোনার ভয়ে মসজিদে নামায বন্ধ করা কি ঠিক?

(একবার ক্লিক করে ভিডিও চালু না হলে ২য় বার ক্লিক করুন)

Thursday, May 21, 2020

কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস : হামদর্দ ইউনানী চিকিৎসা


কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ প্রাসঙ্গিক কিছু ভেষজ ওষুধ দিয়ে কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায় ট্রায়াল দিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং সংক্রমণের উপসর্গ নিরাময়ে ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদিত হামদর্দের তিনটি ইউনানী ওষুধের সফলতা পাওয়া গেছে। Kulyam গরম পানির বাষ্পের সঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে এবং আক্রান্তদের উপসর্গও দ্রুত নিরাময় হচ্ছে। Syp. Fevnil জ্বর নিবারক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী। তার সঙ্গে Syp. Saduri কাশি নিরাময়, কফ নিঃসারক এবং ফুসফুসের শক্তিবর্ধক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

সারা দেশে হামদর্দের ২৭০টি চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে হামদর্দের চিকিৎসকরা কোভিড-১৯ লক্ষণযুক্ত বা কোভিড পজিটিভ রোগীদের এই চিকিৎসা দিয়ে সফলতা পাচ্ছেন। দেশব্যাপী ৫০ জন করোনা পজিটিভ রোগী এ চিকিৎসা নিয়ে নেগেটিভ হয়ে সুস্থ হয়েছেন। কোয়ারেন্টিনে থাকা ৭০০ জন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।

কিভাবে এই তিনটি ওষুধ কাজ করে তার ব্যাখ্যা দেখা যাক। কোভিড-১৯ মূলত আমাদের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়। নাক এবং মুখ দিয়ে আমাদের শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে প্রথমে শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগে অবস্থান করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে।

এমতাবস্থায় Kulyam সহকারে গরম পানির বাষ্প গ্রহণ করলে এতে থাকা শক্তিশালী জীবাণুনাশক উপাদান ক্যাম্ফোর, পাইন ওয়েল, ইউক্যালিপটাস ওয়েল এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে। ফলে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে Kulyam অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর যে সব উপসর্গ দেখা দেয় যেমন- ফুসফুসের প্রদাহ, কাশি, ফুসফুসের আবদ্ধতা, যা কুলজমে বিদ্যমান উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরীভাবে তা নিরাময় করে।

Kulyam এর ব্যবহার বিধিঃ একটি পাত্রে গরম পানির সঙ্গে পাঁচ ফোঁটা কুলজম মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার নাক ও মুখ দিয়ে শ্বাস টেনে ভাঁপ নিন।

Syp. Fevnil জ্বর নিবারক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক এবং প্রতিরোধক ক্ষমতাবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী। Fevnil প্রদাহ প্রশমন করে জ্বর নিবারণ করে। ভাইরাসবিরোধী হিসেবে Fevnil-এর ভূমিকা প্রমাণিত। একই সঙ্গে Fevnil রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দিচ্ছে। ফলে কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায়ও Fevnil অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

Fevnil এর সেবনবিধি ঃ প্রাপ্ত বয়স্ক : ৪ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার; অপ্রাপ্ত বয়স্ক : ২ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার অথবা রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শমতো সেব্য।

Syp. Saduri মূলত কোভিড-১৯-এর উপসর্গ নিরাময়ে ভূমিকা রাখছে। ফুসফুস সংক্রমিত হওয়ার কারণে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের কাশি, ফুসফুসের আবদ্ধতা এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। Saduri ব্রংকোডায়লেটর হিসেবে শ্বাসনালিকে সম্প্রসারিত করার মাধ্যমে কাশি এবং শ্বাসকষ্ট কমায়। এটি ফুসফুস থেকে শ্লেষ্মা নিঃসরণে সহায়তা করে ফুসফুসের আবদ্ধতা কমায়। একই সঙ্গে Saduri ফুসফুসের শক্তিবর্ধক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী।

Saduri-এর সেবনবিধি ঃ প্রাপ্ত বয়স্ক : ৪ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার; অপ্রাপ্ত বয়স্ক : ২ চা-চামচ দৈনিক ২-৩ বার অথবা রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

See this link: #হামদর্দ_এর_ওষুধ_গ্রহণ_করুন কোভিড-১৯ কে জয় করুন

Source: www.jugantor.com