Wednesday, May 6, 2020

করোনা চিকিৎসায় বিনামূল্যে অক্সিজেন দিচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ


করোনা চিকিৎসায় অতিজরুরি সংকট নিরসনে এগিয়ে এলো আবুল খায়ের গ্রুপ। বাংলাদেশের বাণিজ্যিকভাবে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রধান প্রতিষ্ঠানে ১২০ টন অক্সিজেন উৎপাদন করা হয়। সেখানে আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্টে রয়েছে ২৬০ টন অক্সিজেন উৎপাদনের সক্ষমতা। যা বাংলাদেশের মধ্য সবচেয়ে বৃহত্তম।

এ অক্সিজেন ব্যবহৃত হয় স্টিল উৎপাদনে, যা বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রি করা হয় না। দেশের এ সংকটকালে মানুষকে বাঁচানোটাই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সম্প্রতি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অক্সিজেন সরবরাহ করছে আবুল খায়ের গ্রুপ। প্রাথমিকভাবে দু’শো সিলিন্ডার সরবরাহ করা হবে। পরবর্তীতে কোম্পানিকৃত সরবরাহ করা সিলিন্ডারের বাইরেও প্রাপ্ত অতিরিক্ত সিলিন্ডার ফিলিং করে, করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত হাসপাতাল গুলোতে পৌঁছে দেয়া হবে।

কোভিড-১৯ চিকিৎসার নির্ধারিত হাসপাতালগুলোর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আবুল খায়ের গ্রুপের হেল্প লাইন নাম্বারে (০১৯৮৮৮০২১৬৬) যোগাযোগের জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

Source: www.bd-journal.com

Monday, May 4, 2020

ফেভিপিরাভির করোনায় কার্যকর ও বিষ্ময়কর ওষুধ


ফেভিপিরাভির করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় বিষ্ময়কর একটি ওষুধ। এটা জাপানের ফুজিফিল্ম গ্রুপের টোইয়াম কেমিকেলের এই ওষুধটি এভিগান হিসেবে সেখানে বিক্রি হয়। ওষুধটি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। জাপান, চীন, ব্রিটেন ও আমেরিকার নামকরা মেডিক্যাল জার্নালে এ বিষয়ক গবেষণা প্রকশ পায়। ফেভিরিপাভির বা এভিগান প্রথম ২০১৪ সালে আবস্কিার করে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ওষুধ হিসেবে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত গাইডলাইনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মাঝারী ধরনের রোগীদের চিকিৎসার জন্য ফেভিপিরাভিরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া জাপান ছাড়াও বহি:বিশ্বে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ফেভিপিরাভিরের কিছুটা মোডিফাই করে অনুমোদন করেছে।

সম্প্রতি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল এ ওষুধটি তৈরি করেছে ‘ফেভিট্যাব’ নামে। ২০০ এমজি’র ‘ফেভিট্যাব’ দেশের সর্বত্র কোভিড রোগীদের জন্য ব্যবহার করা যাবে বলে ইবনে সিনার সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো: নুরুল্লাহ জানিয়েছেন।
মেডিক্যাল জার্নালগুলোতে বলা হয়েছে, ফেভিপিরাভির টাইপ ও সাবটাইপের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও কার্যকর। এছাড়া অন্যান্য আরএনএ ভাইরাস যেমন এ্যারেনাভাইরাস, বুনিয়াভাইরাস, ফিলোভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর। এই ভাইরাসগুলো হেমোরেজিক জ্বরের জন্য দায়ি। এটা সার্সকভ-২ বা কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধেও বেশ কার্যকর।

ব্রিটিশ সোসাইটির ‘জার্নাল ফর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল কেমোথেরাপি’ বলেছে, কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীদের জন্য ফেভিপিরাভির কার্যকর একটি ওষুধ। জার্নালটি গত ১৭ মে সংখ্যায় এ বিষয়টি নিয়ে নিবন্ধটি ছাপে। এ গবেষণাটি করা হয়েছে চীনে। তারা মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৭৫ বছর অথবা এর চেয়ে বেশি বয়সী ৮০ জন রোগীর উপর ওষুধটি পরীক্ষা করেন। গবেষকেরা ১৬০০ এমজি ফিভিপিরাভির প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন থেকে ১৪ তম দিন পর্যন্ত ৬০০ এমজি ফেভিপিরাভির দিয়েছিলেন প্রতিটি করোনা আক্রান্ত রোগীকে। আবার লোপিনভির/রিটোনাভির দিয়েও তারা একই পরীক্ষা করেন। গবেষকেরা ৪০০ এমজি/১০০ এমজি লোপিনভির/রিটোনাভির ট্যাবলেট এক থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত দিনে দু’বার দিয়েও পরীক্ষা করেছেন। দেখা গেছে, ফেভিপিরাভির, লোপিনভির/রিটোনভিরের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর এবং নিরাপদ। এই গবেষণায় দেখা গেছে, রোগীকে ফেভিপিরাভির দিলে ৪ দিনে সুস্থ হতে শুরু করে ৯১ শতাংশ পর্যন্ত। আবার লোপিনভির/রিটোনভির দিয়ে চিকিৎসা করালে ১১ দিনে সুস্থ হতে শুরু করে ৬২.২ শতাংশ পর্যন্ত।

গবেষণায় কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য ফেভিপিরাভির (ফেভিট্যাব) একটি চমৎকার ওষুধ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে আরো কিছু গবেষণায়। ‘জার্নাল অব অ্যান্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড মেটাবোলজিমে’ বলা হয়েছে, কোভিড-১৯’র ওষুধ হিসেবে ফেভিপিরাভির কার্যকর ওষুধ। ১২০ জন বয়স্ক মৃদু, মাঝারী ও কোভিডে মারাত্মক রোগীর ওপর এই গবেষণাটি করা হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃদু, ৮৫ শতাংশ মাঝারী এবং ৬১ শতাংশ মারাত্মকভাবে কোভিড-১৯ আক্রান্তরা ১৪ দিনে সুস্থ হয়ে গেছেন। ওষুধটি করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিরাপদ ও সহনীয়।

এছাড়া ফেভিপিরাভির নিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব প্রোগ্রেসিভ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিস’ (আইজেপিএসএটি) দেখিয়েছে ফেভিপিরাভির মাঝারী ধরনের কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তদের জন্য একটি ‘উৎকৃষ্ট’ ওষুধ। এ গবেষণাটি কর হয়েছে চীনের উহানে, যেখানে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এতে ১৮ অথবা এর বেশি বয়সী ১১৬ জন অংশ নেয়। এদের সকলকে প্রথম দিন ১৬০০ এমজির ফেভিপিরাভির দুইবার (৮ ট্যাবলেট সকালে ও ৮টি রাতে) এবং এরপর ৭ দিন থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ৬০০ এমজি দিনে দুইবার (৩ ট্যাবলেট দিনে ও ৩টি রাতে) প্রয়োগ করা হলে ৭১.৪ শতাংশ পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করে।

Friday, May 1, 2020

সাধ্যমত বাস্তব সকল ব্যবস্থা নেওয়ার সাথে সাথে মহামারী, বালা-মুসিবত ইত্যাদিতে করনীয় ইসলামী আমলসমূহ

সাধ্যমত বাস্তব সকল ব্যবস্থা নেওয়ার সাথে সাথে করোনা ভাইরাসসহ সকল দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য হাদীসে বর্ণিত এই ইমেজের দোয়াগুলো বেশী বেশী পড়ুন । সম্ভবমত সুরা বাকারার সর্বশেষের দোয়া, দোয়া ইউনুছ, আয়াতাল কুরছি, সুরা ফালাক, সুরা নাছ, সুরা এখলাছ, সুরা ফাতিহা, আয়াতে শেফা ইত্যাদি পড়ুন। তার সাথে সাথে প্রত্যেক নামাজের পর কাকুতি-মিনতিসহ দোয়া করুন। দোয়ার আগে ও পরে দরুদ শরীফ পড়ুন। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন, আমীন

টেলিমেডিসিন: মহামারির মধ্যে এক আশার আলো

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ নিয়ে মানুষের মাঝে বাড়ছে ভয়। সেই সাথে কোভিড-১৯ আক্রান্তসহ সব ধরনের রোগীদের চিকিৎসকের কাছে বা হাসপাতালে গিয়ে সেবা নেয়া হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ। মহামারির এমন পরিস্থিতিতে সমাধান হিসেবে দেখা দিয়েছে টেলিমেডিসিন সেবা। 

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবীরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আসায় করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দেশে টেলিমেডিসিন সেবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমানে টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ফেসবুক ও ওয়েবপেজ, অনলাইন অ্যাপস এবং স্কাইপের মতো বিভিন্ন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করছেন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি (স্বাচিপ) ডা. ইকবাল আর্সনাল বলেন, ‘দেশে ভার্চুয়াল স্বাস্থ্যসেবার এক শক্তিশালী অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে যা কোভিড-১৯ এর পরেও ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

তিনি বলেন, স্বাচিপ বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাথে মিলে ৫০০ ফোন নম্বরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক টেলিমেডিসিন পরিষেবা দেয়া শুরু করেছে।

ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারা দেশে টেলিমেডিসিন পরিষেবা দেয়ার জন্য প্রতিটি মেডিকেল কলেজে নির্ধারিত হটলাইন নম্বর এবং সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোবাইল ফোন নম্বর রয়েছে।

স্বাচিপ সভাপতি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) হটলাইনের পাশাপাশি অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ফোন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ডা. ইকবাল আর্সলান মানুষকে চিকিৎসক এবং হটলাইনগুলোতে অপ্রয়োজনীয় ফোন কল করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. এহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, তারা দেশের অধিকাংশ জেলা শাখায় অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ শুরু করেছেন। ‘অধিকাংশ জেলা শাখায় আমরা মোবাইল ফোন, ফেসবুক, ওয়েবপেজ, অনলাইন অ্যাপস এবং স্কাইপের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া শুরু করেছি।’

চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে মোবাইল ফোনে সেবা দিচ্ছেন এবং প্রয়োজনে রোগীদের অনলাইনে আসতে বলছেন বলে জানান তিনি।

ডা. এহতেশামুল হক বলেন, বিএমএ কোভিড-১৯ চিকিৎসকদের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করবে। ইতোমধ্যে ৪০০ চিকিৎসক এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে যোগদানের আগ্রহ দেখিয়েছেন।

মুগদা মেডিকেল কলেজের ডা. আবু সাঈদ শিমুল জানান, তারা একদল চিকিৎসক নিয়ে বাচ্চাদের চিকিৎসার জন্য অনলাইনে বাবা-মাকে সহায়তা করতে ‘চাইল্ড করোনার এওয়ারনেস-বাংলাদেশ’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলেছেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার সদস্য তাদের পেজে যোগদান করেছেন এবং তারা প্রতিদিন প্রায় ৩০০-৪০০ জনকে পরিষেবা প্রদান করেন।

‘আমরা ১০৫ চিকিৎসক এ ফেসবুক পেজে প্রাথমিকভাবে লিখিত প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে পরামর্শপত্র সরবরাহ করি এবং প্রয়োজনে রোগীদের অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য ভিডিও কলে যাই,’ তিনি যোগ করেন।

ডা. শিমুল বলেন, ২৪ মার্চ তারা একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ‘কোভিড টেস্ট ফর বিডি’ চালু করেছেন, যার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার মানুষ চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।

কুমিল্লার সার্জন ডা. মো. মজিবুর রহমান বলেন, জেলার অনেক রোগী ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে টেলিমেডিসিন সেবা পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলায় বিএমপি’র ১০টি মোবাইল ফোন নম্বর, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞদের ১০টি মোবাইল নম্বর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পাঁচটি নম্বর, সার্জন সোসাইটির কয়েকটি নম্বর এবং কুমিল্লা সদর হাসপাতালের একটি নম্বর পরিষেবা সরবরাহ করার জন্য রয়েছে।

তিনি জানান, সেবার জন্য তারা এ নম্বরগুলোতে কুমিল্লার বাইরে থেকেও ফোন কল পেয়ে থাকেন।

টেলিফোনের মাধ্যমে রোগীদের পরামর্শ দেয়ার জন্য চিকিৎসকদের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল দেশে ‘কোভিড-১৯ সলিউশনস বাংলাদেশ’  নামে প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে। এর সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সাইফুল্লাহ বলেন, প্ল্যাটফর্মের মূল কাজ হলো কোভিড বা নন-কোভিড রোগীদের প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করতে সহায়তা করার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দেয়া।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ও (বিএসএমএমইউ) সম্প্রতি হটলাইনের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন পরিষেবা চালু করেছে।  হটলাইন নম্বর ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ এর মাধ্যমে লোকজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারবেন।

Source: https://dailysangram.com